বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ১০:২৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
(টিসিবি)এর পণ্য অবৈধভাবে বিক্রির উদ্দেশ্যে মজুত রাখার অভিযোগে ডিলারসহ দুইজনকে আটক এমআরইউ নির্বাচনে প্রচার সম্পাদক হলেন তরুণ সাংবাদিক  ইসমাইল হোসেন বিএনপির মনোনয়ন পেল প্রয়াত, সাবেক ও বর্তমান নেতাদের ২৪জন ছেলে ও মেয়ে,বঞ্চিত হলো খোন্দকার দেলোয়ার হোসেনের পুত্র বিএনপির মনোনয়ন পরিবর্তনের দাবিতে খোন্দকার আকবরের কর্মী-সমর্থকদের বিক্ষোভ-অবরোধ শ্রীপুরে চোরাই পথে সার পাচারকালে ৮০ বস্তাসহ পিকআপ আটক ‎পটুয়াখালী গলাচিপায় গজালিয়া ইউনিয়নে বিএনপি’র বিশাল জনসভা। “গলাচিপায় বিএনপির জনসভা: ‘কাউকে বর্গা দেওয়ার জন্য জাতীয়তাবাদী দল তৈরি হয়নি’ — হাসান মামুন” পটুয়াখালী-৩(গলাচিপা-দশমিনা) আসন মনোনয়ন প্রত্যাশী। পটুয়াখালীতে গণঅধিকার পরিষদের জনসভা এনইআইআর বাস্তবায়নে নয়া বিতর্ক: সুরক্ষার নীতি, নাকি বাজার নিয়ন্ত্রণের ফাঁদ?
বিজ্ঞপ্তি
বৃহস্পতিবার জামিন হলো না সাংবাদিক রোজিনার
Update : বৃহস্পতিবার, ২০ মে, ২০২১, ১:১৬ অপরাহ্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক: স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের করা মামলায় কারাবন্দি সাংবাদিক রোজিনা ইসলামের জামিন আবেদনের ওপর শুনানি শেষ হয়েছে। নথিপত্র পর্যালোচনার জন্য রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন আদালত। জামিন বিষয়ে আদেশ রোববার দেয়া হবে। বৃহস্পতিবার জামিন শুনানির দুই ঘণ্টা পর ঢাকার মুখ্য মহানগর আদালতের হাকিম বাকী বিল্লাহ এ বিষয়ে রোববার আদেশ দেয়ার কথা জানান। এর আগে দুপুর পৌনে একটার দিকে ভার্চুয়াল আদালতে শুনানি শুরু হয়। প্রায় এক ঘণ্টা শুনানি শেষে পরে আদেশ দেয়ার কথা জানান বিচারক। আদালতে শুনানি করেন রোজিনার আইনজীবী প্রশান্ত কুমার কর্মকার ও এহসানুল হক সমাজীসহ বেশ কয়েকজন আইনজীবী।

প্রসঙ্গত, গত ১৭ মে দুপুরের পর পেশাগত দায়িত্ব পালনে সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে যান প্রথম আলোর অনুসন্ধানী প্রতিবেদক রোজিনা ইসলাম। মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা তাকে একটি কক্ষে ৫ ঘণ্টা আটকে রাখেন। রাত সাড়ে আটটার দিকে রোজিনাকে শাহবাগ থানা-পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। তাকে রাত ৯টার দিকে শাহবাগ থানায় নিয়ে যায় পুলিশ।

পরে রাত পৌনে ১২টার দিকে তার বিরুদ্ধে শাহবাগ থানায় রাষ্ট্রীয় গোপন নথি ‘চুরির চেষ্টার’ অভিযোগ এনে ‘অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট’ আইনে মামলা করা হয়। মামলার বাদী হন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের উপসচিব শিব্বির আহমেদ ওসমানী।

পুলিশ রোজিনা ইসলামকে ওই মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে ১৮ মে আদালতে হাজির করে। একইসঙ্গে রোজিনাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ড চেয়ে আবেদন করে পুলিশ। অন্যদিকে রোজিনা ইসলামের জামিনের আবেদন জানান তার আইনজীবীরা। ওই দিন শুনানি নিয়ে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জসিম রিমান্ড আবেদন নাকচ করেন এবং রোজিনার জামিন আবেদনের ওপর অধিকতর শুনানির জন্য ২০ মে দিন ধার্য করেন। সেদিন আদালতের নির্দেশে রোজিনাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

এদিকে রোজিনা ইসলামের বিরুদ্ধে অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট ও দণ্ডবিধিতে করা এই মামলার তদন্তের দায়িত্ব ১৯ মে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগকে (ডিবি) দেওয়া হয়েছে। ডিবি বৃহস্পতিবার (২০ মে) জানিয়েছে, রোজিনার মামলার বিষয়ে তারা কোনো চাপে নেই। স্বাধীন তদন্ত হবে।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Our Like Page