শুক্রবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৬:৫৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বিএনপির মনোনয়ন পরিবর্তনের দাবিতে খোন্দকার আকবরের কর্মী-সমর্থকদের বিক্ষোভ-অবরোধ শ্রীপুরে চোরাই পথে সার পাচারকালে ৮০ বস্তাসহ পিকআপ আটক ‎পটুয়াখালী গলাচিপায় গজালিয়া ইউনিয়নে বিএনপি’র বিশাল জনসভা। “গলাচিপায় বিএনপির জনসভা: ‘কাউকে বর্গা দেওয়ার জন্য জাতীয়তাবাদী দল তৈরি হয়নি’ — হাসান মামুন” পটুয়াখালী-৩(গলাচিপা-দশমিনা) আসন মনোনয়ন প্রত্যাশী। পটুয়াখালীতে গণঅধিকার পরিষদের জনসভা এনইআইআর বাস্তবায়নে নয়া বিতর্ক: সুরক্ষার নীতি, নাকি বাজার নিয়ন্ত্রণের ফাঁদ? বুটেক্সের চার আবাসিক হলে নতুন প্রভোস্ট নিযুক্ত বুটেক্সে অনুষ্ঠিত হলো জেনরা ফ্যাশন ওডিসি ২০২৫ বঞ্চনার প্রতিবাদে থালা হাতে শিক্ষকরা
বিজ্ঞপ্তি
‘বেগম পাড়ায়’ বাড়ির মালিকদের ৯০ ভাগ আমলা: জাপা নেতা গোলাম কিবরিয়া
Update : মঙ্গলবার, ১৩ জুন, ২০২৩, ৬:৪৪ অপরাহ্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক: যারা বিদেশে টাকা পাচার করে ‘বেগম পাড়ায়’ বাড়ি করেছেন তাদের ৯০ ভাগ আমলা বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় পার্টির (জাপা) সংসদ সদস্য গোলাম কিবরিয়া।মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে ২০২৩–’২৪ অর্থ বছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এই মন্তব্য করেন।

বিরোধী দলের সংসদ সদস্য গোলাম কিবরিয়া বলেন, ‘এতদিন শোনা যেত কানাডায় বেগম পাড়া। কতদিন আগে দেখা গেল লন্ডনে বেগম পাড়া। বেগম পাড়া বলতে মানুষ মনে করে এটা সংসদ সদস্যরা করেছেন। যারা টাকা পাচার করে বিদেশে বাড়ি করেছেন, যাদের কারণে বেগম পাড়া নামটি এসেছে, তাদের শতকরা ৯০ ভাগ আমলা।’

গোলাম কিবরিয়া বলেন, ‘আগে মানুষ মনে করতো একটি বিশেষ বাহিনী ঘুষ খায়। এখন এমন কোনো দপ্তর নেই যেখানে ঘুষ খায় না। যারা ঘুষ খান না, দুর্নীতি করেন না তারা এখন সংখ্যালঘু, তারা দুর্বল ও বোকা কর্মকর্তা। তাদের তেমন কোনো কাজও নেই।’

তিনি বলেন, ‘এখন বড় বড় রাঘব বোয়ালরা আর টাকা বা ডলারে ঘুষ খান না। তারা এখন স্বর্ণের বার ঘুষ হিসেবে নেন। সব জায়গায় সিন্ডিকেট করে কর্মকর্তারা দুর্নীতি করেন। টাকা না দিলে কাজ হয় না। মাসের পর মাস ঘুরতে হয়। কার্যালয়ে গিয়ে কর্মকর্তাদের পাওয়া যায় না।’

বড় বড় রাঘব-বোয়াল খুঁজে বের করার দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা যদি জানতে পারি, তাহলে দেশে যাদের জানার দায়িত্ব তারা কেন জানবে না? তারা অবশ্যই জানে। না জানলে তাদের বাদ দিয়ে যারা জানে তাদের দায়িত্ব দেন। এমন লোক বসান, যারা বসলে ঘুষ, দুর্নীতি বন্ধ হবে।’

তিনি বলেন, ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম বাংলাদেশের অবিচ্ছেদ্য অংশ। এই পার্বত্য চট্টগ্রামকে জনগণের শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষায় সেনাবাহিনী পাঠানো দরকার। পার্বত্য চট্টগ্রামের জন্য কমপক্ষে ৩ লাখ সেনা সদস্য দরকার। সেই সঙ্গে আধা সামরিক বাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কমপক্ষে ৫ লাখ সদস্য দরকার, যাতে একজন লোকও অপহরণের শিকার না হয়, কারও প্রাণ না যায়।’

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Our Like Page